রাজ্যে অষ্টম শ্রেণিতে পড়লে মাসিক 1000 টাকা। WB Govt New Scheme ।

কথায় বলে ইচ্ছে থাকলে, উপায় হয়। কথাটি বাস্তব সত্য। তার নমুনা মিলল একেবারে হাতে নাতে । তবে নগদে নয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। কন্যাশ্রী, রুপোশ্রী, স্বাস্থ্য সাথী, সবুজ সাথী থেকে শুরু করে স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড। রাজ্যের মানুষের সর্বোপরি রাজ্যের অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের আর্থ সামাজিক উন্নতির লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক জনমুখি প্রকল্প চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে প্রকল্প শেষ হইয়াও বুঝি হইল না শেষ। 


রাজ্যের সাধারণ মানের ছাত্র- ছাত্রী অর্থাৎ পড়ুয়াদের জন্য স্টুডেন্টস ক্রেডিট(STUDENTS CREDIT CARD) কার্ড তো ছিলই। মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পার হওয়া সাধারণ মানের ছাত্র- ছাত্রীরা স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সুবিধা তো পাচ্ছেনই। পাশাপাশি মাত্র কয়েক মাস আগেই রাজ্যের মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা প্রদানের সুবিধার্থে মুখ্যমন্ত্রীর মা, মাটি মানুষের সরকার চালু করেছে স্বামী বিবেকানন্দ (SWAMI BIBEKANANDA SCHOLARSHIP) স্কলারশিপ। এবার আরও একধাপ এগিয়ে জাতীয় সংগতি প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের সপ্তম শ্রেণি উত্তীর্ণ অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য চালু করা হল বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে বিশেষ আর্থিক সাহায্য।  কিন্তু এ শুধু ঘোষণা বা মুখের কথা নয়। যেমন ভাবনা তেমন কাজ।  


ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রতিটি সরকারি এবং সরকারি অনুদান প্রাপ্ত স্কুলগুলিতে মোট কত সংখ্যক অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া রয়েছে তার একটি খসড়া তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য (SCHOOL EDUCATION DEPARTMENT)স্কুল শিক্ষা দফতর মারফৎ আবেদন পত্র চেয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে।  


এবার শুধু অপেক্ষা আবেদনকারী পড়ুয়ার কাছ থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহের কাজ। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী বছরের শুরুর দিকে  জাতীয় সংগতি(JATIYO SANGOTI) প্রকল্পে এ রাজ্যের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে প্রকল্পের প্রথম ধাপের নগদ 1000 টাকা। এক্ষেত্রে চলতি বছরে নতুন শিক্ষার্থীরাও এই সুবিধা পাবেন বলে জানা গিয়েছে। 


তবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারী অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া কে সপ্তম শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার সময় অন্তত 55% শতাংশ নম্বর পেতে হবে। অর্থাৎ বিগত সপ্তম শ্রেণির পরীক্ষায় ওই ছাত্র- ছাত্রীকে অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে তপশিলি জাতী , তপশিলি উপজাতী এবং শারীরিক দিক দিয়ে বিশেষ ভাবে সক্ষম প্রার্থীদের পাশ নম্বরে ৫% শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই সমস্ত প্রার্থীরা বা আবেদনকারী পড়ুয়ারা 50 শতাংশ নম্বর পেলেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে ওই বিজ্ঞপ্তি মারফৎ জানানো হয়েছে। 


উল্লেখিত স্কলারশিপ বা বৃত্তির পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর মারফৎ একটি ওয়েবসাইট( www.scholarship.wbsed.gov.in) চালু করেছে রাজ্য সরকার। চালু করা ওই ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করা যাবে সহজেই। তবে এই প্রকল্পটিতে রাজ্য সরকারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

Jio-র পুজোর ধামাকা অফার! মাত্র 119 টাকায় 1.5 জিবি ইন্টারনেট। জানুন বিস্তারিত। 

এবার তাহলে জেনে নেওয়া যাক আবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য : 

1. এক্ষেত্রে আবেদন কারীকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া হতে হবে। 

2. সপ্তম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেনিতে উত্তীর্ণ হওয়ার সময় ৫৫ % শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

3. তপশিলি জাতী ,উপজাতী এবং শারীরিক দিক দিয়ে বিশেষ ভাবে সক্ষম প্রার্থীদের 50 শতাংশ নম্বর পেলেই চলবে।

4. সরকারি ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন অথবা জেলা বিদ্যালয় পরিদরশকের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। 

5. এ ক্ষেত্রে আবেদকারি ছাত্র অথবা ছাত্রীকে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা দিতে হবে।

6. পরীক্ষা সম্পরকিতি যাবতীয় তথ্য সরকারি ওয়েব সাইট এবং জেলা বিদ্যালয় পরিদরশকের অফিইস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। 

7. আবেদনের সময় সীমা 25/08/2022 থেকে 20/09/2022 পর্যন্ত। 

8. আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় হতে হবে ৩ লক্ষ 50 হাজার টাকার মধ্যে। 

সুসংবাদ! SBI ব্যাংকে টাকা জমা করলে মিলবে দ্বিগুণ। অফার হাতছাড়া করবেননা। Bank Investment। 

আবেদন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন www.scholarships.wbsed.gov.in অথবা www.banglarshiksha.gov.in -এ 


চট জলদি চাকরির খবর পেতে সর্বদা- সর্বত্র চোখ রাখুন bongodhara.com –এ 

Join Telegram Channel : Click Here

More News : Click Here

TAG- SCHOLARSHIP# WB# JATIYO SANGOTI