কৃষক বন্ধু নিয়ে বিরাট ঘোষণা। না জানলে বন্ধ হতে পারে সুবিধা। WB Krishak Bandhu Updae।

কৃষি আমাদের ভিত্তি শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। স্লোগান টা বেশ পুরনো। কিন্তু এর একটা তাৎপর্য আছে। কি সেই তাৎপর্য। আসলে একেবারে প্রাচীন কাল থেকে আজ পর্যন্ত ভারতবর্ষ কৃষি নির্ভর দেশ। ভারতে সবুজ বিপ্লবের সুচনা এই কৃষিকে(agriculture) হাতিয়ার করেই। একেবারে স্বাধীনতার শুরু থেকে আজ ৭৫ বছর পেড়িয়ে পরিবর্তিত সব সরকারই কৃষিকেই অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ হিসাবে বেছে নিয়েছেন। তাই কোনও কিছুর বদলে কৃষি এবং কৃষকদের প্রতি বেশ সহানুভূতিশীল সব সরকারই। তা সে কেন্দ্রের বর্তমান বিজেপিই হোক এ রাজ্যের তৃণমূল সরকার কৃষকদের বিষয়ে নো কম্প্রমাইজ। 



কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে গোটা দেশের কৃষকদের জন্য চালু করা হয়েছে বার্ষিক ছয় হাজার টাকা ভাতা। প্রতিবছর নিয়ম করে  দেশের প্রায় প্রতিটি কৃষিজীবী মানুষই তা পাচ্ছেন। পাশাপাশি এ রাজ্যের ক্ষেত্রেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ২০২১ সালের জুন মাস থেকে চালু করেছেন কৃষক বন্ধু(KRISHOK BONDHU) নামক জনমুখি প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রান্তিক চাষি ভাইরা তদের কৃষি কাজের জন্য নগদ ২০০০ টাকা থেকে ৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা পান। প্রকল্পের টাকায় রাজ্যের কৃষকরা তাদের চাষের কাজের সার ,বীজ, কীটনাশক থেকে শুরু করে যাবতীয় আনুসাঙ্গিক জিনিস পত্র সহজেই কিনতে পারেন। 


রাজ্য সরকার দ্বারা চালু হওয়া কৃষক বন্ধু প্রকল্পটি রাজ্যের ১৮ বছর থেকে ৬০ বছর বয়সি সকল কৃষকরাই পাচ্ছেন নিয়মিত। তবে সাম্প্রতিক এই প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে রাজ্য সরকার। যদি আপনি কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন অথবা কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পান তাহলে পরিবর্তিত নিয়ম বিধির ওপর একবার চট পট চোখ বুলিয়ে নিন। 


পরিবর্তিত নিয়ম গুলি কী কী ?

1.  রাজ্য সরকারের নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, যদি ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের কোনও কৃষক মারা যান তাহলে মৃত কৃষকের পরিবার কে ২ লক্ষ টাকা সরকারি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে যে নতুন (new rules) নিয়মটি রাজ্য সরকার মারফৎ ঘোষণা করা হয়েছে সেটি হল, কোনও কৃষক বন্ধু মারা গেলে মৃত কৃষকের পরিবার কে মৃত্যুর তিন মাসের মধ্যে মৃত কৃষকের মৃত্যু সংশাপত্র অর্থাৎ ডেথ(death certificate) সার্টিফিকেট সহযোগে স্থানীয় কৃষি দফতরে আবেদন করতে হবে ওই ২  লক্ষ টাকা সরকারি সহায়তার জন্য। যদি কোনও কারণে কৃষকের মৃত্যুর তিন মাসের মধ্যে আবেদন না করা হয় তাহলে আগামীতে ওই সহায়তা প্রদান থেকে বঞ্চিত হবেন মৃত কৃষকের পরিবার। 

পোস্ট অফিসে 95 টাকা জমা করলে মিলবে 14 লক্ষ। এক্ষুনি বিস্তারিত পড়ুন। 

2.তবে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আরও যে একটি নতুন নিয়মবিধি পালনের কথা বলা হয়েছে সেটি হল, যদি কোনও কৃষক হঠাৎ করে এই প্রকল্পের  টাকা না পান তাহলে ওই কৃষক কে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের নির্দিষ্ট ওয়েব ( https://krishakbandhu.net ) সাইটে গিয়ে যেমন তার বর্তমান অ্যাকান্টের স্ট্যাটাস চেক করতে হবে। তেমনি ওই কৃষক কে তার নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে KYC জমা করতে হবে। যদি কোনও কৃষক তার KYC  জমা না করেন তাহলে তার ওই অ্যাকাউন্টটি KYC-র  জন্য সাময়িক বন্ধ রয়েছে বলে মনে করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ওই কৃষকের চিন্তার কোনও কারণ নেই। নতুন করে পরিচিতি পত্র জমা করলেই পুনরায় তার অ্যাকাউন্টি সচল হবে এবং প্রকল্পের যাবতীয় টাকা তার অ্যাকাউন্টে চলে যাবে সরকারি তরফে। পাশাপাশি ওই কৃষক কে তার যাবতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে স্থানীয় কৃষি দফতরে যোগাযোগ করতে হবে।  

চাকরি হোক কিংবা সরকারি প্রকল্প , সঠিক খবর পেতে চোখ রাখুন bongodhara.com -এ 


Join Telegram Channel : Click Here


More News : Click Here

TAG- KRISHOK BONDHU#KYC# NEW RULES#ACCOUNT #AGRICULTURE 


Written by- Somnath Pal.