কলকাতা : গত দুবছর যাবত গোটা পৃথিবীর আর্থিক হাল বেশ শোচনীয়। বেহাল অর্থনীতির কবলে পড়ে সাড়া বিশ্বের বহু মানুষই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার ছবি বেশ স্পষ্ট। সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি চাকরির বাজারের অবস্থাও বেশ করুন। এই অবস্থায় বিকল্প কর্ম সংস্থান হিসাবে বেছে নেওয়া যেতে পারে যে কোনও ছোটখাটো (small business)ব্যবসাকে। কিন্তু সেখানেও রয়েছে সমস্যা। কারণ ব্যবসা করতে গেলে তো পুঁজির দরকার। কোথায় গেলে পাওয়া যাবে পুঁজি।
এ বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সহজেই পুঁজি অর্থাৎ মুলধনের ক্ষেত্রে টাকার সন্ধান হতে পারে। তাই চিন্তা না করে নিজে অথবা সরকারি অনুদান প্রকল্পের মাধ্যমে স্বল্প সুদে ঋণ গ্রহণ করে বাড়িতে বসেই যে কোনও ছোটোখাটো ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে।
কিন্তু কি ব্যবসা শুরু করলে ভালো হয় তা বুঝে ওঠা বেশ মুশকিল। বাড়িতে বসে অল্প পুঁজিতে(small investment) ঠিক কি ধরণের ব্যবসা করলে আপনি সহজেই হতে পারবেন লাখপতি। তবে ব্যবসা সম্পর্কে সম্যক ধারণা হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। তারওপর মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চাহিদার শেষ নেই। যে কোনও উপায়ে চাহিদা পূরণ হলেই হল। সে মূল্যবানই হোক কিংবা কম দামি দৈনন্দিন জীবনে কত রকমের জিনিসপত্র মানুষ ব্যবহার করেন। সেই সমস্ত জিনিসপত্র একটু পুরনো কিংবা খারাপ হলেই তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। কেউ কেউ অবশ্য পুরনো জিনিসপত্র ঘষে মেজে নতুন করার চেষ্টা করেন তবে বেশির ভাগ মানুষই সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ান টাইম ইউস বা জিনিসপত্র খারাপ বা পুরনো হলেই তা সহজেই ফেলে দেন। বর্তমান সময়ে এমন মানুষের সংখ্যায় বেশি।
এ বিষয়ে পরিসংখ্যান বলছে গোটা বিশ্বে প্রতি বছর মানুষের ফেলে দেওয়া বজ্যের পরিমাণ ২ বিলিয়ন অর্থাৎ ২ কোটি টন। এমনকি এই তালিকায় আমাদের দেশ অর্থাৎ ভারতবর্ষও কম যায়না। প্রতি বছর আমাদের দেশেই বজ্য উৎপন্ন হয় প্রায় ৩০০ মিলিয়ন টন। কিন্তু আপনার মনে প্রশ্ন হতে পারে বজ্যের সঙ্গে ব্যবসার কি সম্পর্ক ?
যদি কোনও মানুষ এর উত্তর চান তবে অবশ্যই বলা যেতে পারে বজ্যের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু বিষয় টি কি রকম ?
তাহলে জেনে নেওয়া যাক এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ঠিক কী ?
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যদি কোনও ব্যবসা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে এই বাদ দেওয়া বজ্য দিয়েই আপনার নতুন কারবার অর্থাৎ ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসার পুঁজি অর্থাৎ মূলধন যেমন কম লাগবে তেমনি এই পৃথিবী আপনার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় হয়ে উঠতে পারে সুন্দর ও সুস্থ।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, বাড়িতে বসে অল্প পুঁজিতে বর্জ্য(WASTE) পদার্থকে পুনর্ব্যবহার করে ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বর্তমানে বাজারে সুন্দর রংচঙা জিনিস পত্রের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। দিন যত যাচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জিনিসপত্রের চাহিদাও তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।
তবে এই ব্যবসা শুরুর আগে আপনাকে মানুষের চাহিদার দিকে প্রথমেই নজর রাখতে হবে। তার সঙ্গে আপনি যে জিনিসটি তৈরি করে বাজারে বিক্রি করবেন সেটি যদি ইউনিক(UNIQUE BUSINESS) এবং আকর্ষণীয় বিশেষ করে ক্রেতাদের মন জয় করতে পারেন তাহলে তো আর কথায় নেই।
বজ্য পদার্থ দিয়ে বানানো জিনিস পত্রের ছবি আপনি সহজেই যেকোনো সোশ্যাল (SOCIAL SITE) সাইটে আপলোড করতে পারেন। অর্থাৎ এই ব্যবসা করতে আওনার দোকান ঘর না থাকলেও হবে। শুধুমাত্র অনলাইনে ক্রেতাদের সামনে আপনার তৈরি জিনিসপত্র তুলে ধরতে পারলেই হল।
লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে নয়া ঘোষণা মমতার, ফের উপকৃত হবে কোটি কোটি উপভোক্তা-WB Lakshmi Bhandar Update
এই ব্যবসার ক্ষেত্রে অতিব অল্প পুঁজিতে আপনাকে আপনার চারপাশ থেকে ফেলে দেওয়া বজ্য সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনার ইউনিক পরিকল্পনা দিয়ে সেগুলিকে ক্রেতাদের মন মতো তৈরি করে অনলাইন সাইটে ছেড়ে দিন দেখুন অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি কেমন মালামাল হবেন নিশ্চিত।
Written by - Somnath Pal.
For More Job News: Click Here
Join Our Telegram Channel : Click Here
TAG- #BUSINESS #UNIQUE BUSINESS #SOCIAL MEDIA #WASTE MANAGEMENT

.jpg)