ভারতের অন্যতম ব্যাংক এবার State Bank Of India এর সঙ্গে ব্যবসা করে মাসে মাসে আয় করা যাবে 50 হাজারের বেশি। বেকারদের জন্য এই ব্যবসা খুবই উপকারী কারন এই ব্যবসা শুরু করা আর সরকারি চাকরি করা একই ব্যপার। কারন এই ব্যবসা একবার শুরু হলে আজীবন ঘরে বসে থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। যেহেতু এটি দেশের স্বনামধন্য একটি ব্যাংক তাই আপনার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত আলোকিত। চলুন তাহলে এই ব্যবসা সম্পর্কে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক। Business With SBI Bank
বর্তমান বাজারে কাজের অনেক অভাব, এমন বেকার রয়েছে যারা দিনরাত এক করে চাকরির জন্য খাটাখাটি করেও সাফল্য পাইনি। তাদের জন্য বর্তমানে বিকল্প উৎস হলো ব্যবসা। তবে না বুঝে যদি হুট করে ব্যবসায় নামা হয় তা হলো মহাবিপদ। তাই বুদ্ধি মানের কাজ হলো সবকিছু যাচাই করে তার পরেই ব্যবসাই হাত বাড়াতে হয়। আসুন তাহলে আজকের ব্যবসা সম্পর্কে সবিস্তারে জেনেনি। Business Idea With State Bank Of India
কীভাবে ব্যবসা শুরু করত পারেন - এক্ষেত্রে স্টেট ব্যাংকের সঙ্গে দুই ভাবে ব্যবসা করতে পারেন। একটি হলো তাদের ব্যাংকের সিএসপি নিয়ে অন্যটি হলো এটিএম (ATM) Franchise নিয়ে। দুটি বর্তমান বাজারে ব্যাপক চাহিদা সম্পন্ন ব্যবসা। আসুন তাহলে জেনে নি কীভাবে এই ব্যবসা শুরু করতে পারি।
1. CSP Business - এর জন্য আপনাকে নিকটবর্ত্তী ব্যাংকে যেতে হবে এবং প্রথমে ব্যাংক ম্যানেজার এর সাথে কথা বলে বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে। যদি আপনার এলাকা বা ছোট বাজারে CSP দেওয়া জরুরি মনে করে তাহলে আপনাকে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানিয়ে দিবে। যেহেতু বর্তমানে জনজোয়ার পূর্ণ ব্যাংক হলো স্টেট ব্যাংক তাই এই ব্যাংকের সিএসপি পাওয়া খুব সহজ।
2. এরপর বর্তমান বাজারে ATM Franchise এর ব্যবসা করে মাসে মাসে আয় করতে পারবেন 50 হাজারেরও বেশি টাকা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। একবার মাত্র এই ব্যবসায় যুক্ত হলে আজীবন পর্যন্ত বসে বসে আয় পকেটে ঢুকাইবেন। এরজন্য দরকার আপনার নিকটবর্তী বাজারে বা যে কোনো বাজার বা মার্কেটে 50-80 স্কয়ার ফুট জায়গা। হতে পারে নিজের কিংবা রেন্ট এর। তাহলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। এবং এই জায়গাটা রাস্তার পাশে হতে হবে।
কী কী ডকুমেন্টস লাগবে : এক্ষেত্রে বহু ডকুমেন্টস জরুরি যেমন Aadhaar Card, Pan Card, Voter Card হবে তাঁর প্রমাণের নথি। ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে Ration Card কিংবা Electricity Bill দেখাতে হবে। এ ছাড়াও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এর পাশাপাশি GST ও ব্যাংকের আরও কিছু ডকুমেন্টস।
কত টাকা ইনভেস্ট করতে হবে : এক্ষেত্রে প্রথমে একটা জায়গা ঠিক করতে হবে সেটা নির্ভর করবে আপনার এলাকার রেন্ট ভ্যালুর উপর। এরপর 2 লক্ষ টাকা ব্যাংক কে সিকিউরিটি ফীস হিসেবে জমা করতে হবে। এছাড়াও 3 লক্ষ টাকার ওয়ার্কিং কেপিটাল হিসেবে জমা করতে হবে । ভবিষ্যতে কাজ বন্ধ করলে এই টাকা ফেরত পাবেন।
আর-ও বিস্তারিত জানতে অনলাইনে মাধ্যমে সার্চ দিয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন অথবা ব্যাংকে গিয়ে সরাসরি জানতে পারেন।
More News : Click Here
Join Telegram Channel : Click Here

.jpg)