কথায় বলে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। কথাটি বাস্তব সত্য। গোটা দেশের আর্থিক ভাবে দুর্বল পড়ুয়াদের সাহায্য করতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র -রাজ্য দুই সরকারই। কিন্তু শুধু সরকারই নয়, বেসরকারি বহু নামীদামী সংস্থায় ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম লিখিয়েছে । তবে তালিকার প্রথমসারিতে রয়েছে টাটা গোষ্ঠীর নাম।
আর হবে নাই বা কেন, টাটা বলে কথা। প্রতিবছর নিয়ম করে দেশের কয়েক লক্ষ দুঃস্থ মেধাবী পড়ুয়া কে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় টাটা ক্যাপিটালের পক্ষ থেকে। এই উদ্যোগ টি টাটা স্কলারশিপ (TATA SCHOLARSHIP) বলেই পরিচিত। প্রতিবছর নিয়ম করে বছরের মাঝামাঝি সময় এই স্কলারশিপ প্রদান করা হয় টাটা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে।
মূলত আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া দুঃস্থ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতে অর্থের অভাবে পড়াশোনার জীবনে ইতি না পড়ে সে জন্যই এই স্কলারশিপ প্রদানের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য করা হয়। একেবারে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পাঠক্রম পর্যন্ত এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। তাহলে আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক স্কলারশিপের যাবতীয় তথ্য সম্পর্কে।
এ বিষয়ে টাটা ক্যাপিটালের নিয়মানুসারে,
১। আবেদনকারী পড়ুয়াকে জন্মসুত্রে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।
২। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পাঠরত ছাত্র- ছাত্রীকে এই স্কলারশিপ দেওয়াহয়।
৩। এক্ষেত্রে ওই পড়ুয়াকে বিগত শ্রেণির পরীক্ষায় 60 শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করতে হবে।
৪। আবেদনাকারী পড়ুয়ার পারিবারিক বার্ষিক আয় হতে হবে 4 লক্ষ টাকার মধ্যে।
৫। আবেদনকারী পড়ুয়া যদি সরকারি অথবা বেসরকারি অন্যকোনও স্কলারশিপ বা বৃত্তি পেয়ে থাকেন তাহলে তিনি আবেদনের যোগ্য নন।
৬। আবেদনকারীকে এই স্কলারশিপে আবেদন করতে হলে নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে https://www.buddy4study.com/page/the-tata-capital-pankh-scholarship-programme -এ গিয়ে আবেদন করতে হবে।
৭। এই স্কলারশিপ টি মূলত তিনটি শ্রেণি বা স্ল্যাবে বিভক্ত।
৮। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের বার্ষিক টিউশন ফী বাবদ 50 হাজার টাকা প্রদান করা হয়ে থাকে।
৯। ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারি, সি এ সহ একাধিক পাঠক্রমের জন্য আবেদনকারীকে বার্ষিক টিউশন ফী বাবদ 50 হাজার টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
১০। সাধারণ স্নাতক পাঠক্রমের পড়ুয়াদের বার্ষিক টিউশন ফী বাবদ 20 হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
১১। আবেদনের সময় পড়ুয়াকে তার পাঠক্রমের যাবতীয় প্রমান পত্র দাখিল করতে হবে।
১২। পরিবারের বার্ষিক আয়ের প্রমান পত্র জমা করতে হবে নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে।
১৩। এ ছাড়াও বয়সের প্রমান পত্র , বাসস্থানের প্রমান পত্র ও দাখিল করতে হবে।
১৪। আবেদনকারীকে সরকার স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র অথবা ছাত্রী হতে হবে।
১৫। আবেদনকারীকে তার জাতিগত সংশাপত্র, এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।
মাত্র 10-15 হাজারে এই ব্যবসা গুলি শুরু করে , মাসে আয় করুন হাজার হাজার টাকা -Business Idea
তাহলে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে প্রতিবেদনটি ভালো ভাবে খুঁটিয়ে পড়ে নিন, আর আবেদন করুণ টাটা স্কলারশিপের আর্থিক সাহায্যের জন্য।
written by- Somnath Pal.
চাকরি হোক কিংবা সরকারি প্রকল্প , সঠিক খবর পেতে চোখ রাখুন bongodhara.com -এ
Join Telegram Channel : Click Here
More News : Click Here
TAG- #TATA #SCHOLARSHIP #STUDENT #ECONOMICAL HELP #GRADUATE

.jpg)