আপনি কি ব্যবসা করে জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে চান। কিংবা জীবন জিবিকার মাধ্যম হিসাবে চাকরির বদলে ব্যবসাকেই বেশি প্রাধান্য দিতে চান তাহলে এই সরকারি সুযোগটি নেহাত আপনার জন্য। কারণ ব্যবসা করতে চাইলে যেমন দরকার সঠিক পরিকল্পনা তেমনি দরকার পুঁজি অথবা ব্যবসায়িক ভালো জায়গা বা দোকান ঘর।
গত দু'বছর ধরে গোটা বিশ্ব জুড়ে আর্থিক মন্দার জেরে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, চাকরির বাজার বেশ খারাপ। এই অবস্থায় বেশির ভাগ বেকার যুবক-যুবতী অনলাইনে কিংবা সরাসরি দোকান ঘর নিয়ে ব্যবসার উদ্যোগ নিচ্ছেন । কিন্তু সাম্প্রতিক দুর্মূল্যের বাজারে একে তো সংসার চালাতেই নাজেহাল অবস্থা। তার ওপর নতুন করে ব্যবসার পরিকল্পনা যেন অলীক স্বপ্ন। কিন্তু আপনার ব্যবসা করার স্বপ্ন কে স্বার্থক করতে পারে সরকার।
জানেন কি, আপনি দোকান ঘর খুলে ব্যবসা করতে চাইলে দোকান ঘরটি আপনাকে দেবে সরকার। ওই দোকানে আপনার পছন্দ মতো পসার সাজিয়ে আপনি নিজের মন মতো ব্যবসা করতেই পারেন।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গোটা বাংলার প্রান্তিক মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতির লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন। রাজ্যের বেকার যুবক- যুবতীদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে বিগত কয়েক বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী এ বঙ্গে চালু করেছেন কর্মতীর্থ(karma tirtho prokalpo) প্রকল্প।
এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্য সরকার বেকার যুবক- যুবতীদের দোকান ঘর দেবে ব্যবসা করার জন্য। কারণ সরকারের লক্ষ্য একটাই যেভাবেই হোক রাজ্যের লাগামহীন বেকারত্বের রাশ নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল হারে কর্মসংস্থান(employment) করা। সেই লক্ষ্যেই এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে রাজ্যের জেলায় জেলায়।
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ (wb govt)সরকারের কর্মতীর্থ প্রকল্পের আওতায় জেলার প্রায় প্রতিটি ব্লকেই কর্মতীর্থ বিল্ডিং(building) তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যের প্রান্তিক অর্থাৎ গ্রাম বাংলার মানুষ এই কর্মতীর্থ প্রকল্পের বিল্ডিং এ ঘর নিয়ে মনের মতো ব্যবসা করে জীবনে সু-প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন।
সরকারি তরফে ঘোষণা করা হয়েছে এই প্রকল্পের আওতায় ঘর গুলির জন্য কোনও অর্থ মুল্য নেওয়া হবেনা। অর্থাৎ একেবারে বিনামুল্যে আপনাকে ব্যবসা করার জন্য দোকান ঘর দেবে সরকার।
মোটের ওপর এই প্রকল্পের আওতায় দোকান ঘর নিয়ে নিজের এলাকাতেই আপনি মনের এবং সুবিধা মতো ব্যবসা করতে পারেন।
তবে ব্যবসা করার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ হওয়া ঘর নিতে আপনাকে রীতিমতো আবেদন করতে হবে সরকারি দফতরে। তবেই মিলবে ব্যবসা করার জন্য উপযুক্ত ঘর।
তাহলে আসুন প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কর্মতীর্থ (karma tirtho) প্রকল্পে ঘর নেওয়ার জন্য কোথায়, কিভাবে আবেদন করতে হবে---
এই প্রকল্পের জন্য অনলাইন -অফলাইন দু তরফেই আবেদন করা যাবে।
যদি আপনি অনলাইনে আবেদন করতে চান তাহলে কর্মতীর্থ প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। এবং অফলাইনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্লক অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
কর্ম তীর্থ প্রকল্পের নির্দিষ্ট জেলার ওয়েব সাইটে গিয়ে আপনি সহজেই আপনার ব্যবসায়িক প্রয়োজনের দোকান ঘর সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য যেমন পাবেন। তেমনি নির্দিষ্ট বিল্ডিং- এ ঘরের তালিকা এবং কত গুলি ঘর ফাঁকা পড়ে আছে সে বিষয়েও যাবতীয় তথ্য পাবেন খুব সহজে। এবার প্রয়োজন বুঝে আবেদন করলেই হল। তারপর আপনি নির্বাচিত হলে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ওই প্রকল্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিকরা। তবে এই প্রকল্পে ঘর মিলবে একেবারে বিনামুল্যে। ঘরের জন্যে কোথাও কোনও টাকা পয়সা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
আবেদন পত্রটি পূরণের সময় আবেদনকারী প্রার্থীকে ভোটার কার্ড, আঁধার কার্ড, প্যান কার্ড, ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীকে তার জাতিগত সংশা পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: রাজ্যে অষ্টম শ্রেণিতে পড়লে মাসিক 1000 টাকা। WB Govt New Scheme ।
প্রকল্পের ওই ঘর গুলিতে যে কোনও ধরণের ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের ব্যবসা বা উৎপাদন ভিত্তিক ব্যবসা করতা পারবেন। বা আপনি আপনার কোনও ব্যবসার অফিস ঘর বানাতে চাইলে সরকারি ভাবে কোনও বিধিনিষেধ নেই বলেই জানানো হয়েছে। তবে একটি ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে সেটি হল এই ঘরে আপনি কোনও দাহ্য ও বিস্ফোরক বস্তুর ব্যবসা বা কারবার চালাতে পারবেন না।
বাড়িতে বসেই প্রচুর টাকা কামাতে চান? তাহলে চট পট চোখ বুলিয়ে নিন।New Business Idea।
তাহলে আরদ দেরি না করে এখনই আবেদন করুন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কর্মতীর্থ প্রকল্পে ঘর নেওয়ার জন্য। আর শুভ মহরৎ দেখে নিজের মনের মতো ব্যবসা শুরু করুন। নিজেকে ব্যবসায়ী হিসাবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করুন খুব সহজে।
সরকারি চাকরি হোক কিংবা জনমুখি প্রকল্প , খবর পেতে চোখ রাখুন bongodhara.com-এ
Join Telegram Channel : Click Here
More News : Click Here
tag- business#kormo tirtho# prokalpo#wb# govt
written by- Somnath Pal.

.jpg)